দৈনিক দুপুরের খবর ডেস্কঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুর হোসেন মাসুদের বিরুদ্ধে চৌমুহনী কুরি পাড়ার তিন তলা বিশিষ্ট একটি ভবন দখলের অভিযোগ উঠেছে । শনিবার সকালে নোয়াখালী টিভি সাংবাদিক ফোরাম অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলেন বাড়ির মালিক প্রবাসীর স্ত্রী কাজল রেখা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কাজল রেখা বলেন, আমার স্বামীর প্রবাস থেকে পাঠানো টাকা ও সংসার খরচ থেকে সঞ্চিত টাকা দিয়ে ১৯৯৪ সালে চৌমুহনী পৌরসভায় ১৩ শতক জায়গার ৪ শতকের উপর তিন তলা বাড়ী তৈরি করে বসবাস করে আসছি।
২০০৭ সালে আমার ছেলে-মেয়ের পড়া-লেখার উদ্দেশ্যে ঢাকা যাওয়ায় তাকে কেয়ারটেকার এর দায়িত্ব দিই। কিছুদিন সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলেও ২০০৯ সাল থেকে বাড়ির ভাড়া আদায় করে আমাকে পাঠানো বন্ধ করে দেয় এবং এক পর্যায় বাড়িটি দখল করে নিচ তলায় সে এবং ২য় তলায় আরেক আওয়ামী লীগ নেতা সাহাবুদ্দিনকে ঢুকায়। আমি এসে তাকে চাপ প্রয়োগ করলে সে আমাকে আওয়ামী লীগের নেতা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধামকী প্রদান করে।
এঘটনায় তৎকালীন মেয়র, এমপি এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প্রভাবশালীদের কাছে ধরনা দিয়ে ও আমি কোন প্রকার প্রতিকার পাইনি।
পরে নানা ভাবে আমাকে চাপ দিয়ে আমার ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকার ফ্ল্যাট ৩৫ লাখ টাকা মূল্য নির্ধারনে বাধ্য করে এবং মাত্র ৬ লাখ টাকা আমাকে নগদ দিয়ে আর কোন টাকা না দিয়ে কাগজ না করে বাড়ির নাম পরিবর্তন করে আমাকে বলে বাড়ি দখল হয়ে গেছে।
তিনি আরো বলেন, যদি আমি বাড়াবাড়ি করি তাহলে পরিবার সহ প্রাণে মারার হুমকি প্রদান করে। আমি ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে আমার এক ভাতিজি জোলেখাকে ফোন দিয়ে এনে ঐ বাড়ী থেকে বের হয়ে যাই। তখন আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র ও আলমারীতে রক্ষিত প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র কিছুই নিতে পারিনি। এক পর্যায়ে অনেকটা আশাহত হয়ে হাল ছেড়ে দেই। তার ভয়ে নোয়াখালীতে আর আসতে পারি নাই।
গত ৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতার গন অভ্যুথ্যানে প্রেক্ষাপট পরিবর্তনে ঐ সন্ত্রাসী পালিয়ে গেলে আমি এসে আমার বাড়ীর দলিল, হোল্ডিং, বিদ্যুৎ বিল, পানির বিল, গ্যাসবিল পরিশোধ সহ সকল কাগজ পত্র সংগ্রহ করি। নিচতলা ও তৃতীয়তলা উদ্ধার করলেও ২য়তলা এখনো উদ্ধার করতে পারিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ জাকির হোসেন (মনু)
01712-364264
zakirhossain215@gmail.com
D NRWS