হুমায়ন আকাশ, নোয়াখালী প্রতিনিধি।
২৬৮, নোয়াখালী-১ (চাটখিল সোনাইমুড়ী) আসন। বিশেষ করে তফশিল ঘোষণা না হলেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে অনেকটাই সরগরম রাজনীতির মাঠ। সংসদীয় এলাকাগুলোতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পদচারণা শুরু হয়ে গেছে।
যদিও সেই পদচারণায় এবারই প্রথম কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের কেউ মাঠে নেই। এমনকি তাদের সাথে জোটে থাকাদেরও একই অবস্থা।
নোয়াখালী জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে এরই মধ্যে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছে জামায়াত।
বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরাও জানান দিয়েছেন তাদের অবস্থান। এর বাইরে অন্য দলগুলোর নেতাকর্মীরাও সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সরব হতে শুরু করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জাতীয় সংসদের ২৬৮ নম্বর আসন (নোয়াখালী -১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৩,৮৯,২৩২ জন, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১,৯৯,৪০৯ জন এবং নারী ভোটার ১,৮৯,৮২৩ জন।
এই আসনে বিএনপির সাবেক এমপি নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি সদস্য এ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন কামরান সাবেক সংসদ সদস্য ও আইনজীবী। এই আসনের সাবেক এমপি সুপ্রিম কোর্টবার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।
এছাড়াও ঢাকা সিটি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক নির্বাচিত ভিপি, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক দপ্তর সম্পাদক এবং বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিশ্বস্ত ব্যারিস্টার মনির হোসেন কাজল।
তরুণদের আইডল বিএনপি'র কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহি সদস্য সাবেক ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন।বিগত সরকারে আমলে মিথ্যে মামলার আসামি হয়েছেন অনেকে ও কারাগারে ছিলেন দীর্ঘদিন।
বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মনির হোসেন কাজল বলেন, দেশ নায়েক তারেক রহমানের ১০জন (ব্যারিস্টার) কৌশলীর মধ্যে তিনি অন্যতম ছিলেন। যার কারণে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মামলার শিকার হয়ে দীর্ঘ সময়ে দেশের বাহিরে থাকতে হয়েছে তাকে। তারপরও গোপনীয়তার সাথে দেশে এসে চাটখিল ও সোনাইমুড়ীর জনগণের বিভিন্ন বিপদে আপদে সাহায্য নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। ভবিষ্যতেও আমার এ সাহায্য ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো বলেন, বিএনপি জনগণ ও গণমানুষের দল । আমি চাই আগামী নির্বাচন ফ্রি-ফেয়ার হোক, যাতে জনগণ তার নিজের ভোটাধিকার নিজেই প্রয়োগ করতে পারেন, আর সেটা হলে জয়ের বিষয়েও আমি আশাবাদী। তবে আমি প্রার্থী হলে এ আসনে ভোটের মাঠের হিসাব নিকাশ বদলে যাবে বলে মনে করছি।
এই আসন থেকে বিএনপি নির্বাচিত হয়েছিলো ২০০৮ সালে, সেই হিসেবে ২০১৪/১৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত তিনটি প্রশ্নবিদ্ধ, নির্বাচনের বাইরে নোয়াখালী-১ আসনটি বিএনপির দখলেই ছিল। ৪ লাখের বেশি ভোটার এই আসনে ।
স্থানীয় জরিপে এই আসনে বিএনপি'র হেভিওয়েট প্রার্থী ২০১৩ সালে গুলিবিদ্ধ সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি সাবেক এমপি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন মনোনয়ন পেলে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে। এবং আগামী দিনে তিনি মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তরুণদের মধ্যে অনেকেই ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুনের পক্ষে আশাবাদী। কারণ বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর সাথে রয়েছে তাহার ঘনিষ্ঠতা, এবং তিনিও মনোনয়নের আশাবাদী।
বিএনপির আরেক নেতা এডভোকেট সালাউদ্দিন কামরান তিনি বিগত নোয়াখালী-৩ আসন থেকে অনেকবার এমপি হয়েছেন, তৃণমূল থেকে অনেকেই মনে করছেন এবার এডভোকেট সালাউদ্দিন কামরান মনোনয়ন পাবেন। এবং তিনিও আশাবাদী নোয়াখালী-১ (চাটখিল সোনাইমুড়ী) আসন থেকে মনোনয়ন পাবেন।
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ জাকির হোসেন (মনু)
01712-364264
zakirhossain215@gmail.com
D NRWS