
সেলিম চৌধুরী, ক্রাইম রিপোর্টার
নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ বাজার, থানার হাট, বাংলা বাজার, চাটখিল উপজেলার চাটখিল বাজার, কাচারি বাজার, দশঘরিয়া বাজার এবং জেলা সদরের মাইজদী বাজার সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় পূর্বের থেকে অনেক চড়া দামে নিত্যপণ্য ক্রয় করতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
এ সময় খুচরা মূল্যে আলু প্রতি কেজি ৭০ টাকা , বেগুন প্রতি কেজি ১০০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৬০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, জিংগা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, দোন্দুল প্রতি কেজি ১০০ টাকা, ভেন্ডি প্রতি কেজি ১০০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৭০ টাকা , লাউ ছোট প্রতি পিস ৮০ টাকা, লাউ বড় প্রতি পিস ৫০ টাকা, কাঁচকলা প্রতিপিস ১২০ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে ।
অন্যদিকে শুকনা বাজার ঘুরে দেখা যায় পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১১৫ টাকা, রসুন প্রতি কেজি ২৪০ টাকা, গুড়ো হলুদ প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, গুড়া মরিচ প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা, মুসুরির ডাউল প্রতি কেজি ১৫০ টাকা, বুটের ডাউল প্রতি কেজি ১২০ টাকা, জিরা প্রতি কেজি ৮০০ টাকা, সয়াবিন তেল প্রতি কেজি ১৭০ টাকা, সরিষার তেল প্রতি কেজি ২৫০ টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে।
এ সময় বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়িকদের সাথে কথা বললে ক্ষুদ্র ব্যবসায়িকরা বলেন
এখানে আমাদের কারো কিছু করার নাই আমরা পাইকারি মার্কেট থেকে ক্রয় করে নিয়ে আসি ওখান থেকে যে দর নির্ধারণ করা হয় তার থেকে সীমিত লাভে আমরা এখানে খুচরা মূল্যে বিক্রয় করি।
আমরা পাইকারি বাজারে কম দামে ক্রয় করতে পারলে আমরা ক্রেতাদের কাছে ও কম মূল্যে বিক্রয় করতে পারি।
অন্যদিকে চাউল ব্যবসায়ীরা জানান আগে প্রতি ৫০ কেজি চাউলের বস্তা আমরা বিক্রয় করতাম ২২০০ থেকে ২৩০০ টাকায়, এখন আমাদের বাজার মূল্য ২৬০০ থেকে ৩২০০ টাকায় বিক্রয় করতে হচ্ছে কারণ পাইকারি মার্কেটে ৫০ কেজি বস্তা প্রতি ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে আমাদের কিছুই করার নাই আমরা পাইকারি বাজার থেকে যেভাবে ক্রয় করি ঠিক তেমনভাবে সীমিত লাভে খুচরা বাজারে বিক্রয় করি ।
এ সময় থানার হাট বাজারের অনেক ক্রেতার সঙ্গে কথা হয়। তাদের মধ্যে একজন দিনমজুর এর সাথে কথা হলে তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন আমার সংসারে আমরা পাঁচজন। তিনটা ছেলে পড়াশোনা করে। আমার সংসারে উপার্জনের একমাত্র ব্যক্তি আমি। প্রতিদিন কাজ পাওয়া যায় না মাসের ভিতর ১৫ থেকে ২০ দিন কাজ পাওয়া যায়। দৈনিক মজুরি পাই ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, তারপর ও এখন বৃষ্টির সময় মানুষেরা কাজ খুবই কম করায় কোন সপ্তাহে দুইদিন কোন সপ্তাহে তিন দিন কাজ পাই। নিত্য পণ্যের মূল্য যেভাবে বৃদ্ধি হয়েছে যার কারণে খেয়ে না খেয়ে কোনরকম জীবন যাপন করছি।
Leave a Reply