
কিশোরগঞ্জ থেকে নিজাম উদ্দীনঃ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক নির্মূল, অস্ত্র উদ্ধার এবং সমাজের শান্তি বজায় রাখতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিশেষ করে, র্যাব-১৪, সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মো. আশরাফুল কবির-এর নেতৃত্বে এই অঞ্চলে অপরাধ দমনে এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কঠোর হাতে দমন করে তিনি স্থানীয় জনসাধারণের আস্থা অর্জন করেছেন। তার বিচক্ষণ নেতৃত্ব ও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় র্যাব-১৪ ক্যাম্প নিয়মিতভাবে সফল অভিযান পরিচালনা করে চলেছে।
সাফল্যের প্রধান দিকসমূহ:
মাদকবিরোধী অভিযান: কিশোরগঞ্জকে মাদকমুক্ত করতে স্কোয়াড্রন লিডার আশরাফুল কবিরের নির্দেশে নিয়মিতভাবে বড় বড় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা, ইয়াবা ও অন্যান্য অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ বহু মাদক কারবারিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
অবৈধ অস্ত্র ও চোরাচালান প্রতিরোধ: অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে চোরাচালান, বিশেষ করে ভারতীয় চিনি ও অন্যান্য পণ্যের অনুপ্রবেশ রোধে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। একাধিক অভিযানে অস্ত্রসহ এবং ১৫ টনেরও বেশি ভারতীয় চিনি জব্দ করে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার: বিভিন্ন আলোচিত ও স্পর্শকাতর মামলার পলাতক আসামিদের, এমনকি পিতৃহন্তারক কিংবা ইউপি চেয়ারম্যানদেরও দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে তিনি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
জুয়া ও অন্যান্য অপরাধ দমন: অনলাইন জুয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ দমনেও র্যাব-১৪ ক্যাম্প সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে, যা তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে সহায়ক।
জনসাধারণের মাঝে আস্থা বৃদ্ধি
স্কোয়াড্রন লিডার মো. আশরাফুল কবির শুধুমাত্র অপরাধ দমনেই নয়, বরং প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে সময়মতো তথ্য প্রকাশ করে জনগণের মাঝে স্বচ্ছতা ও আস্থা বৃদ্ধি করেছেন। তার কার্যকর পদক্ষেপের ফলে কিশোরগঞ্জ অঞ্চলে অপরাধ প্রবণতা কমে এসেছে বলে স্থানীয়রা মনে করেন।
বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন, স্কোয়াড্রন লিডার আশরাফুল কবিরের মতো চৌকস ও নিবেদিতপ্রাণ অফিসারের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব র্যাব-১৪, সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পকে অপরাধ দমনে আরও গতিশীল করেছে।
Leave a Reply