
বাংলার আলো টিভি ডেস্কঃ
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নোয়াখালীর চাটখিলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে ‘রাজাবাবু’ নামের বিশাল আকৃতির একটি ষাঁড়। ৩০ মণের বেশি ওজনের এই গরুটি দেখতে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ ও সম্ভাব্য ক্রেতারা।
চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের রাজ্জাকপুর গ্রামের ‘গরীব উল্লাহ মৎস্য ও গবাদি পশু খামারে’ হলেস্টাইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি লালন-পালন করছেন খামারি আলী আকবর বাহার। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ‘রাজাবাবু’র দাম হাঁকানো হয়েছে ১২ লাখ টাকা।
খামার সূত্রে জানা যায়, রাজাবাবু’র উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ৯ ফুট। বিশাল আকৃতির গরুটিকে নিয়মিত দানাদার খাদ্য, ভুসি, খড় ও কাঁচা ঘাস খাওয়ানো হচ্ছে। পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বিশেষ যত্নে গরুটিকে বড় করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এত বড় গরু এলাকায় আগে কখনও দেখা যায়নি। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ গরুটি দেখতে আসছেন। রাজাবাবুকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
গরুটির দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা আব্দুল মমিন জানান, ছোটবেলা থেকেই গরুটিকে খুব যত্ন নিয়ে পালন করা হচ্ছে। বর্তমানে এর বয়স প্রায় তিন বছর। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার ও পরিচর্যা করা হয়।
খামারি আলী আকবর বাহার জানান, অনেক যত্ন করে গরুটি লালন-পালন করেছি। কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ বা ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়নি। সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবেই গরুটি বড় হয়েছে। এটি নোয়াখালীর সবচেয়ে বড় গরু বলে আমি মনে করি। আশা করছি ভালো দাম পাব। বিশাল আকৃতির ষাঁড়টি হাটে আনা-নওয়া করা কষ্টকর, তাই বাড়ি থেকেই তাকে বিক্রি করতে চাই।
এ বিষয়ে চাটখিল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শাহাদাত হোসেন জানান, খামারিরা এখন আধুনিক পদ্ধতিতে গবাদিপশু পালন করছেন। সঠিক পরিচর্যা ও পুষ্টিকর খাবারের কারণেই গরুটি বড় আকার ধারণ করেছে। আমরা খামারটির খোঁজখবর রাখছি এবং প্রাকৃতিক উপায়ে পশু লালন-পালনে খামারিদের উৎসাহিত করছি।
Leave a Reply